আলোর সন্ধানী AloR Sondhani

"আশ্চর্যজনক পৃথিবীর নবগতদের জন্য আলোর সন্ধানী। যা দেবে আলোর সন্ধান।"

বিজ্ঞানের আসর: ১০০ বছর পর সত্য হলো আইনস্টাইনের মহাকর্ষীয় তরঙ্গ

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ শেষবার আপডেট করা হয়েছে ২৩:৩৬ বাংলাদেশ সময় ১৭:৩৬ GMT
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ এই প্রথমবারের মতো সরাসরি শনাক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা . নেই এমন সব জিনিসের কাছ থেকে আমরা শুনতে পাবো যেসব জিনিসের অস্তিত্ব আছে বলে আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। এর ফলে জ্যোতির্বিজ্ঞানের নতুন একটি জানালা উন্মুক্ত হলো। আর সেই জানালা দিয়ে আমরা এমন সব জিনিস দেখতে পাবো যা আমরা আগে কখনো দেখিনি।”

image

এই আবিষ্কারকে অত্যন্ত যাদুকরী ঘটনা বলে অভিহিত করা হচ্ছে। কারণ এর ফলে এখনও যেসব জিনিসের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়নি সেগুলো সম্পর্কে আমরা জানতে পারবো। জানতে পারবো এই মহাবিশ্ব কবে এবং ঠিক কিভাবে গঠিত হয়েছিলো।

image

বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন
এই গবেষণার সাথে জড়িত ছিলেন গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সিওঙ হেঙ। তিনি বলেন, যেসব যন্ত্রপাতি দিয়ে নতুন এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করা হয়েছে সেসবের সাহায্যে, দুটো তারার মাঝখানে অন্ধকার যেসব স্থান আছে, সেগুলো সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে।
“এই আবিষ্কারের ফলে মহাবিশ্বে অনুজ্জ্বল, একেবারেই ম্রিয়মাণ যেসব বস্তু আছে বা কৃষ্ণ গহ্বরের মতো খুবই ঘন ও গভীর যেসব জিনিস আছে, সেগুলো দেখা যাবে। এছাড়াও দেখতে পারবো নিউট্রন তারকাসমূহ, তাদের গতি প্রকৃতি। মহাবিশ্বে গ্রহ-নক্ষত্র-তারকামন্ডলী কিভাবে চলাচল করে সেবিষয়ে জানতে পারবো।”

image

“এসব জরিপ থেকে বুঝতে পারবো যে এরকম কতো গ্রহ নক্ষত্র আছে, এগুলোর মধ্যে কতোবার সংঘর্ষ হয়, কতোবার একটা আরেকটার সাথে মিশে যায়। আর এসব থেকেই আমরা বুঝতে পারবো এই মহাবিশ্ব ঠিক কিভাবে গঠিত হয়েছিলো।”
আন্তর্জাতিক এই লিগো কোলাবোরেশন প্রকল্পের সাথে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্ত আছেন ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী সঞ্জীব মিত্র। ভারতের পুনেতে, ইন্টার ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর এস্ট্রনমি এন্ড এস্ট্রোফিজিক্স বা আইওকার একজন বিজ্ঞানী তিনি। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কার নিয়ে শুনুন তার সাক্ষাৎকার:

image

লিগো প্রকল্পে গবেষণা চলছে
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার পাঁচটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে- এর মধ্য দিয়ে আইনস্টাইনের থিওরি অফ রিলেটিভিটির একটি ধারণা প্রমাণিত হলো।
কিন্তু তার ধারণা ছিলো যে এই তরঙ্গ এতো দুর্বল একে শনাক্ত করা যাবে না কিন্তু আজকের বিজ্ঞানীরা সেটা ঠিকই ধরেছেন।
এই মহাবিশ্বকে এখন সম্পূর্ণ নতুন এক আঙ্গিকে দেখা সম্ভব হবে। সাধারণ টেলিস্কোপে যা দেখা সম্ভব নয়, সেগুলোকেও আমরা এখন দেখতে পাবো।
দেখতে পাবো কৃষ্ণ গহ্বরের ভেতরে, প্রয়োজন হলে আরো আরো অনেক বেশি গভীরে। জানতে পারবো কিভাবে কাজ করে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।
প্রকৃতির চারটি শক্তিকে যখন এক করা সম্ভব হবে বিজ্ঞানীরা তখন সবকিছুরই একটা থিওরি দাড় করাতে সক্ষম হবেন।
এসব জানতে পারলে আইনস্টাইন যে আজ খুবই খুশি হতেন সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
বিজ্ঞানের আসর পরিবেশন করেছেন মিজানুর রহমান খান:

Advertisements

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Enter your email address to follow this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 270 other followers

%d bloggers like this: