আলোর সন্ধানী AloR Sondhani

"আশ্চর্যজনক পৃথিবীর নবগতদের জন্য আলোর সন্ধানী। যা দেবে আলোর সন্ধান।"

মায়ান সভ্যতার অবিশ্বাস্য ও চমকপ্রদ কিছু তথ্য (দেখুন ছবিতে)

বাংলাদেশ সময়: February 09, 2016 – 07:29 PM

ফটোসোর্স: www.ask.com
 

আধুনিক সমাজের বিকাশে অবদান আছে অনেক প্রাচীন সভ্যতার। মায়ান সভ্যতা তাদের অন্যতম। মায়ান সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল ২৬০০ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দে। বর্নিল এই সভ্যতায় যেমন ছিল হিংস্রতা, নিষ্ঠুর আদিমতা, তেমনি বিকাশ হয়েছিল জ্ঞান-বিজ্ঞানেরও। মায়ানরা হয়ে উঠেছিল প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম সংগঠিত জাতি। তাদের ছিল ছিল রাষ্ট্রব্যবস্থা, আইন-কানুন, নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি।

আসুন জেনে নিই মায়ানদের সম্পর্কে এমন কিছু চমকপ্রদ কিছু তথ্য যেগুলো চমকে দেবে আপনাকে!

১। মায়ানরা অন্যান্য সভ্যতার মত লোহা বা ব্রোঞ্জ এর অস্ত্র ব্যবহার করতেন না। তারা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতেন আগ্নেয় শিলা অথবা অবিসিয়ান অর্থাৎ কাঁচের মতো দেখতে এক প্রকার পাথর। 

২। চ্যাপ্টা কপালের অধিকারী মায়ানরা তাদের জাতির গুনী মানী ব্যক্তিদের নাক কোণ বিশিষ্ট করার জন্য পুডিং ব্যবহার করত।

৩। সমাজের অভিজাত নারীরা দাঁতে বিন্দু এঁকে নকশা করতেন।

ফটোসোর্স: www.placencia.com
৪। ব্যাবিলনীয়দের পাশাপাশি মায়ানরা ইতিহাসে সর্বপ্রথম যারা জমি পরিমাপের ক্ষেত্রে শূন্যের ব্যবহার করেছিলেন।

৫। মায়ানরা বন্দীদের বা দাসদের মেরে ফেলার আগে নীল রঙ করত আর খুব অত্যাচার করত।

৭। কখনো কখনো বন্দীদের চামড়া তুলে ফেলা হত আর মায়ানদের ধর্মযাজক সেই চামড়া পরে নাচ পরিবেশন করতেন।
ফটোসোর্স: aquaworld.com.mx
৮। মায়ানদের ছিল ৩ টি ক্যালেন্ডার। তাঁর মধ্যে একটি ছিল ‘হাব’ যেখানে বছরকে আধুনিক ক্যালেন্ডারের মতোই ৩৬৫ দিনে ভাগ করেছিলেন তারা।
৯। তাদের দীর্ঘতম ক্যালেন্ডারটি ছিল ২,৮৮০,০০০ দিনের। এই হিসেব অনুযায়ী ক্যালেন্ডারটি শেষ হয় ২০১২ সালে, যা পৃথিবী ধ্বংসের ভবিষ্যৎ বানীকে নির্দেশ করে।
১০। মায়ানদের লেখার পদ্ধতি সমসাময়িক যেকোন সভ্যতার তুলনায় অগ্রবর্তী ছিল। তারা যেকোন কিছুর উপরেই লিখতেন, যা সামনে পেতেন তাঁর উপরই, এমনি দালানের দেয়ালেও।
ফটোসোর্স:
১১। স্পেন যখন মায়ান সাম্রাজ্য দখল করে নেয় তখন তাদের লেখনীর অনেক কিছুই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। তবু ২০-২১ শতকে তাদের অনেক লেখা ল্যাবটরিতে অনুবাদ করা গেছে।
১২। মায়ানদের চিকিৎসাবিদ্যা অনেক আধুনিক ছিল। তারা শরীরের ক্ষত মানুষের চুল দিয়েই সেলাই করে ফেলতেন। দাঁতের গর্ত পূরণ করা এমনকি নকল পা লাগানোতেও পারদর্শী ছিলেন তারা।
১৩। মায়ানরা প্রকৃতি থেকে ব্যথানাশক সংগ্রহ করতেন, সেই সব গাছগাছরা তারা পূজায় ব্যবহার করতেন ধর্মীয় রীতি অনুসারে আবার ঔষধ হিসেবেও ব্যবহার করতেন রোগীকে অজ্ঞান করার জন্য।
ফটোসোর্স: www.historyonthenet.com
১৪। মায়ানরা “মেসো আমেরিকান বলখেলা” তে বিশেষ আগ্রহী ছিলেন। মায়ান সাম্রাজ্যের সকল বড় শহরে এই খেলার কোর্ট পাওয়া গেছে। প্রায়ই তারা খেলার আয়োজন করতেন। হেরে যাওয়া দলের শিরচ্ছেদ করা হত।
১৫। মায়ানরা স্টীম বাথ নিতে পছন্দ করতেন। তারা মনে করতেন গোসলের সময় ধোঁয়ার সাথে তাদের সব পাপ উড়ে যায়।
১৬। ১৬৯৭ সালে মায়ান সাম্রাজ্য স্প্যানিসদের হাতে চলে গেলেও মায়ানরা এখনো বিভিন্ন অঞ্চলে টিকে আছে।
১৭। মায়ান সাম্রাজ্য বিপন্ন হওয়ার কারণ এখনো এক রহস্য। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, খরা, দুর্ভিক্ষ, অধিক জনসংখ্যা এর কারণ হতে পারে।
ফটোসোর্স: www.travelmoodz.com
১৮। মায়ান সংস্কৃতি, এমনকি ভাষা এখনো মেক্সিকোর অনেক এলাকায় এবং গুয়েতেমালায় প্রচলিত আছে।
২০। অভিজাত মায়ান পরিবারে মায়েরা শিশুদের কপাল ঘষতেন যাতে চ্যাপ্টা কপাল হয়, এমনকি চোখ ট্যারা করানোর চেষ্টাও করতেন।

 

সোর্স:-

মানবকন্ঠ লিঙ্ক ক্লিক।

প্রিয়. কম লিঙ্কক্লিক।

Advertisements

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Information

This entry was posted on February 19, 2016 by in 🔍সন্ধানী আলো and tagged .

Enter your email address to follow this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 270 other followers

%d bloggers like this: